এক ছেলেকে তার মা দুই শত টাকা দিয়ে বললেন, 'বাজার থেকে একটি মুরগি নিয়া আয়। '
ছেলে বাজার থেকে মুরগি কিনে আসলো। কিন্তু তার মা মুরগি দেখে বললেন, 'কি একটা রোগা-পাতলা মুরগি নিয়া আসছিস? এটা পাল্টে নিয়ে আয়। '
ছেলেটি মুরগি ফেরত দিতে গিয়ে দেখে যে দোকান থেকে মুরগি কিনেছিল তাতে লেখা: 'বিক্রিত মাল ফেরত নেয়া হয় না। '
এ মুরগি আবার বাসায় নিয়ে গেলে তো মা বকবেন। এবার কী করা যায় সেটা ভাবতে লাগলো ছেলেটি। শেষ পর্যন্ত সে তার খালার বাড়ি গেল।
বাড়িতে ঢুকতেই দেখা গেল, ড্রইংরুমে খুব ঘনিষ্ঠ অবস্থায় এক লোকের সাথে তার খালাত বোন বসে আছে।
ছেলেটি এ অবস্থা দেখে লজ্জা পেয়ে ড্রইংরুমে না ঢুকে স্টোর-রুমে বসে থাকলো।
একটু পর তার খালু আসলো।
গাড়ির হর্ণ শুনেই ড্রইংরুমের সেই লোকটিও দৌরে এসে স্টোর-রুমে ঢুকল। অন্ধকার ঘর; কেউ কারো মুখ পর্যন্ত চিনতে পারছে না - শুধু একে অপরের উপস্থিতি টের পাচ্ছে।
ছেলেটি এবার পরিস্থিতির পূর্ণ সুযোগ নিল। একটু পর সে বলল, 'বড় ভাই, মুরগি নেবেন? মাত্র একশত টাকা!'
'ধেত মিয়া, এখন মুরগি কেনার সময়?'
'ভাই, আপনি যদি মুরগি না কিনেন তাহলে চিৎকার করবো। '
লোকটি বুঝতে পারলো পড়েছি মুঘলের হাতে খানা খেতে হবে এক সাথে। বাধ হয়ে লোকটি একশত টাকা দিয়ে মুরগিটি কিনে নিল।
একটু পর ছেলেটি বলল, 'বড় ভাই, মুরগিটা ফেরত দেন; নাহলে আওয়াজ দিবো। '
লোকটি পরিস্থিতি বুঝে মুরগিটি ফেরত দিয়ে দিল। আর কিছুই করার নেই।
কতক্ষন পর ছেলেটি আবার বলল, 'বড় ভাই, মুরগি নেবেন? মাত্র একশত টাকা!' এভাবে সে একই মুরগি পাঁচবার বিক্রি করে পাঁচবারই ফেরত নিল।
ছেলেটি যখন রাস্তা দিয়ে হাটছিল তখন হঠাৎ এক দোকানে সুন্দর একটা জিন্স প্যান্ট ডিসপ্লেতে রাখা আছে। দাম মাত্র ছয় শত টাকা।
ছেলেটির কাছে আছে পাঁচ শত টাকা। মানে আরো একশত টাকা দরকার। কোথায় পাওয়া যেতে পারে আর একশত টাকা? ভাবতে ভাবতে সে এবার নিজের বাড়ি গিয়ে দেখল তার বড় ভাই বারান্দায় মন খারাপ করে বসে আছে। সে কাছে গিয়ে বলল, "ভাইয়া, মুরগি কিনবে? মাত্র একশত টাকা। '
জবাবে তার বড় ভাই রাগে, ক্ষোভে চিৎকার করে উঠল, 'হারামি কোথাকার, বাটে পেয়ে একই মুরগি আমার কাছে পাঁচবার বিক্রি করেছিস। তাও মন ভরেনি? আবার বিক্রি করতে এসেছিস? দাঁড়া মজা বুঝাইতেছি!'
ছেলে বাজার থেকে মুরগি কিনে আসলো। কিন্তু তার মা মুরগি দেখে বললেন, 'কি একটা রোগা-পাতলা মুরগি নিয়া আসছিস? এটা পাল্টে নিয়ে আয়। '
ছেলেটি মুরগি ফেরত দিতে গিয়ে দেখে যে দোকান থেকে মুরগি কিনেছিল তাতে লেখা: 'বিক্রিত মাল ফেরত নেয়া হয় না। '
এ মুরগি আবার বাসায় নিয়ে গেলে তো মা বকবেন। এবার কী করা যায় সেটা ভাবতে লাগলো ছেলেটি। শেষ পর্যন্ত সে তার খালার বাড়ি গেল।
বাড়িতে ঢুকতেই দেখা গেল, ড্রইংরুমে খুব ঘনিষ্ঠ অবস্থায় এক লোকের সাথে তার খালাত বোন বসে আছে।
ছেলেটি এ অবস্থা দেখে লজ্জা পেয়ে ড্রইংরুমে না ঢুকে স্টোর-রুমে বসে থাকলো।
একটু পর তার খালু আসলো।
গাড়ির হর্ণ শুনেই ড্রইংরুমের সেই লোকটিও দৌরে এসে স্টোর-রুমে ঢুকল। অন্ধকার ঘর; কেউ কারো মুখ পর্যন্ত চিনতে পারছে না - শুধু একে অপরের উপস্থিতি টের পাচ্ছে।
ছেলেটি এবার পরিস্থিতির পূর্ণ সুযোগ নিল। একটু পর সে বলল, 'বড় ভাই, মুরগি নেবেন? মাত্র একশত টাকা!'
'ধেত মিয়া, এখন মুরগি কেনার সময়?'
'ভাই, আপনি যদি মুরগি না কিনেন তাহলে চিৎকার করবো। '
লোকটি বুঝতে পারলো পড়েছি মুঘলের হাতে খানা খেতে হবে এক সাথে। বাধ হয়ে লোকটি একশত টাকা দিয়ে মুরগিটি কিনে নিল।
একটু পর ছেলেটি বলল, 'বড় ভাই, মুরগিটা ফেরত দেন; নাহলে আওয়াজ দিবো। '
লোকটি পরিস্থিতি বুঝে মুরগিটি ফেরত দিয়ে দিল। আর কিছুই করার নেই।
কতক্ষন পর ছেলেটি আবার বলল, 'বড় ভাই, মুরগি নেবেন? মাত্র একশত টাকা!' এভাবে সে একই মুরগি পাঁচবার বিক্রি করে পাঁচবারই ফেরত নিল।
ছেলেটি যখন রাস্তা দিয়ে হাটছিল তখন হঠাৎ এক দোকানে সুন্দর একটা জিন্স প্যান্ট ডিসপ্লেতে রাখা আছে। দাম মাত্র ছয় শত টাকা।
ছেলেটির কাছে আছে পাঁচ শত টাকা। মানে আরো একশত টাকা দরকার। কোথায় পাওয়া যেতে পারে আর একশত টাকা? ভাবতে ভাবতে সে এবার নিজের বাড়ি গিয়ে দেখল তার বড় ভাই বারান্দায় মন খারাপ করে বসে আছে। সে কাছে গিয়ে বলল, "ভাইয়া, মুরগি কিনবে? মাত্র একশত টাকা। '
জবাবে তার বড় ভাই রাগে, ক্ষোভে চিৎকার করে উঠল, 'হারামি কোথাকার, বাটে পেয়ে একই মুরগি আমার কাছে পাঁচবার বিক্রি করেছিস। তাও মন ভরেনি? আবার বিক্রি করতে এসেছিস? দাঁড়া মজা বুঝাইতেছি!'

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন