মানুষকে হাসানো দুনিয়ার সবচেয়ে জটিল কাজ গুলোর একটি। প্রয়াত লেখক হুমায়ুন আহমেদ বলেন, "মানুষকে হাসানো কঠিন কিন্তু কাঁদানো সহজ।" আমরা কঠিন কাজটাই হাতে নিয়েছি।
দুঃখ ভুলে জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। আর এ জন্যই মানুষ কাজের ফাঁকে একটু আনন্দ করতে চাই, চাই একটু ঠাট্টা-কৌতুক-তামাশা। কিন্তু তা যেন আবার দুঃখ বা অপমানের কারণ হয়ে না দাঁড়ায়; যেন অশ্ললীতার ছড়াছড়ি না থাকে।
হাসি শুধু মনেই আনন্দানুভুতি জাগায় তা নয় এটি একটি উত্তম ব্যায়ামও বটে। বিভিন্ন শারিরিক ও মানসিক রোগ যেমন হৃদরোগ, উচ্চরাপ রক্তচাপ, মেনিনজাইটিস, সিজোফ্রেনিয়া ইত্যাদির রোগের উপশমে হাসি ও আনন্দানুভুতি খুবই দরকার। তাই সুস্থ দেহ-মনের জন্য হাসি দরকার।
তো মানুষকে কিভাবে হাসানো যায়? উত্তর হচ্ছে, কৌতুক শুনিয়ে। হ্যাঁ, কৌতুক হচ্ছে মানুষকে হাসানোর প্রধান মাধ্যম।
আবহমান কাল থেকে মানুষ কৌতুক বলতে ও শুনতে পছন্দ করে। তাই গোপাল ভাঁড়, নাসিরুদ্দিন হোজ্জা, প্রমুখ কৌতুক প্রিয় ব্যক্তিগণ কিংবদন্তীতে রুপান্তরিত হয়েছেন।
বড়দের মতো শিশুরাও কৌতুক শুনতে অনেক ভালবাসে। আমার ছয় বছরের মেয়েকে একবার একটা গোপাল ভাঁড়ের কৌতুক শুনিয়েছিলাম। সেই থেকে সে প্রায়ই কৌতুক শোনার আব্দার করে। এদিকে আমার কৌতুকের ভান্ডার শেষ। তাই ভাবলাম ইন্টারনেট থেকে কৌতুক খুঁজে, পড়ে তারপর আমার মেয়েকে শোনাবো।
কিন্তু ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে দেখলাম অশ্লীল কৌতুকের ছড়াছড়ি। অতএব, অশ্লীলতামুক্ত নির্মল আনন্দ দেয়ার উদ্দেশ্যে আমি নিজেই একটা কৌতুকের সাইট পাবলিশ করার পরিকল্পনা করি। হাসিজিন (Hasizine) হচ্ছে সেই পরিকল্পনার ফসল।
বন্ধু-বান্ধবের মুখ থেকে শোনা, দেশি-বিদেশি পত্রিকা, ও বিভিন্ন ভাষার ওয়েবাসাইট থেকে কৌতুক গুলো সংগ্রহ করা হয়েছে। এই সংগ্রহ প্রক্রিয়া অব্যহত থাকবে: ইনশা আল্লাহ যতো দিন বাঁচবো ততো দিন নতুন নতুন কৌতুক সংযোজন করতেই থাকবো।
বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারের সবার সাথে শেয়ার করা যায় শুধু এমন কৌতুক গুলোই বাছাই করে হাসিজিনে পাবলিশ করা হয়।
আপনার আনন্দেই আমাদের আনন্দ। আপনি হাসলেই আমাদের কঠিন পরিশ্রম সার্থক হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন