দুই চাপাবাজ চাপা মারছে।
প্রথম চাপাবাজঃ জানিস আমার দাদা অনেক গরু পুষতো। তার গরু গুলো রাখা হতো বিশাল এক গোয়াল ঘরে। গোয়াল ঘরটা এত বড় ছিল যে এক মাথা দিয়ে একটা বাছুর হাঁটা শুরু করলে শেষ মাথায় যেতে যেতে নিজেই আরেকটা বাছুর জন্ম দিতো।
দ্বিতীয় চাপাবাজঃ আরে এটা কোন ব্যাপার হল? আরে শোন, আমার দাদার একটা বিশাল বাঁশের ঝার ছিল। একেকটা বাঁশ এত লম্বা হতো যে আকাশের মেঘ সরানো যেতো। আমার দাদি আঙিনায় ধান মেলে রাখলে যদি বৃষ্টি এসে যেতো তখন আমার দাদা বাঁশ দিয়ে মেঘ সরিয়ে দিতো।
প্রথম চাপাবাজঃ চাপা কোথাকার। এত বড় লম্বা বাঁশ তোর দাদা কোথায় রাখতো?
দ্বিতীয় চাপাবাজঃ কোথায় আবার? তোর দাদার গোয়াল ঘরে!
প্রথম চাপাবাজের চাপা এখানেই শেষ!
প্রথম চাপাবাজঃ জানিস আমার দাদা অনেক গরু পুষতো। তার গরু গুলো রাখা হতো বিশাল এক গোয়াল ঘরে। গোয়াল ঘরটা এত বড় ছিল যে এক মাথা দিয়ে একটা বাছুর হাঁটা শুরু করলে শেষ মাথায় যেতে যেতে নিজেই আরেকটা বাছুর জন্ম দিতো।
দ্বিতীয় চাপাবাজঃ আরে এটা কোন ব্যাপার হল? আরে শোন, আমার দাদার একটা বিশাল বাঁশের ঝার ছিল। একেকটা বাঁশ এত লম্বা হতো যে আকাশের মেঘ সরানো যেতো। আমার দাদি আঙিনায় ধান মেলে রাখলে যদি বৃষ্টি এসে যেতো তখন আমার দাদা বাঁশ দিয়ে মেঘ সরিয়ে দিতো।প্রথম চাপাবাজঃ চাপা কোথাকার। এত বড় লম্বা বাঁশ তোর দাদা কোথায় রাখতো?
দ্বিতীয় চাপাবাজঃ কোথায় আবার? তোর দাদার গোয়াল ঘরে!
প্রথম চাপাবাজের চাপা এখানেই শেষ!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন